Sunday, February 5, 2012

মজার কৌতুক - ৬৬

এক লোক অনেকদিন পর বিদেশ থেকে দেশে গ্রামে আসলো।
রাতে খাওয়ার পর ওদের একমাত্র ছেলে আর বউসহ ঘুমাতে গেল।
অনেকদিন পর বউকে পেয়ে শুরু করলো সমানে . . .
প্রথমে আস্তে আস্তে ঢুকিয়ে করতে করতে বিদেশের ট্রেন এর কথা বলছিল যে, সে এখন মেইল ট্রেন এর মত করছে।
নাড়াচাড়ায় ইতিমধ্যে তাদের ছেলেটি জেগে গেল খাটের শব্দে কিন্তু চুপ করে শুইয়ে রইলো।
লোকটি যখন খুব জোরে আরম্ভ করলো, বউ বলল কি করো, আস্তে করো ছেলে জেগে যাবে।
লোকটি বলল আরে বিদেশে এক রকম ট্রেন আছে খুব জোরে চলে সেগুলাকে এক্সপ্রেস ট্রেন বলে,
বলতে বলতে সে এমন জোরে শুরু করলো পুরা খাট কাপতে লাগলো আর ছেলে নিচে পড়ে গেল।
নিচ থেকে সে তার মা-বাবাকে বলে উঠল,
"তোমরা কেউ মেইল, কেউ এক্সপ্রেস ট্রেন চালাও, তোমাদের খুশী!! কিন্তু যাত্রী কেন পড়ে যাবে … ?" :@ :-P

মজার কৌতুক - ৬৪

জামান সাহেবের তিন ছেলে একই সাথে বিয়ে করেছে। ওরা সবাই বাবার খামার বাড়িতে হানিমুন করতে গেলো।
পরদিন সকাল। জামান সাহেব তার ছেলেদের সাথে নাশতা করার জন্য বসে আছেন। বড় ছেলে রিয়াদ সে সময় ঘরে এসে ঢুকলো।
জামান সাহেব বড় ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন, কাল রাতে কয়বার করেছো?
তিন বার, বাবা। বললো রিয়াদ।
সকালে তোমার বউ কি বললো?
বললো, গুড মর্নিং ডার্লিং।
এই না হলে আমার ছেলে, হেসে জামান সাহেব রিয়াদ কে নাস্তা করতে বললেন।
কিছুক্ষন পর মেজ ছেলে রাকিব এলো।
কি বাছা, কাল রাতে কয় বার করেছো? ছেলেকে বললেন জামান সাহেব।
চার বার, বাবা।
সকালে তোমার বউ কি বললো?
বললো, গুড মর্নিং।
সাবাশ, এই না হলে আমার ছেলে, বললেন জামান সাহেব।যাও ভাইয়ের সাথে নাস্তা করো গিয়ে।
আধা ঘন্টা পর এলো ছোটো ছেলে রাজ়িব। তার সারা শরীরে ঘাম, মুখে ক্লান্তির ছাপ।
মাই গড, তোমার এই অবস্থা হলো কি করে? ছেলেকে বললেন জামান সাহেব।
রাজিব চুপ, কোনো জবাব নেই।
হতাশ হয়ে জামান সাহেব ছেলেকে বললেন, অন্তত এটা বলো কাল রাতে কয় বার করেছো?
একবার, হাঁপাতে হাঁপাতে বললো রাজিব।
একবার? চিৎকার করে উঠলেন জামান সাহেব। এরপর ও বলবে তুমি আমার ছেলে!!
তা সকালে তোমার বউ কি বললো? হতাশ জামান সাহেব ছেলেকে কে জিজ্ঞেস করলেন।
বউ বললো, সারা রাত তো একটানা চালালে, এবার দয়া করে থামো!! :-P

মজার কৌতুক - ৬২

ছেলে বিয়ে করবে, তাই বাবা একটা নতুন খাট বানাতে অর্ডার দিচ্ছেন . . .
ছেলের বাবাঃ খাট মজবুত করে বানাও, এতে আমার ছেলে আর নতুন বউ শোবে|
কাঠমিস্ত্রিঃ এত মজবুত বানামু স্যার, খালি আপনার ছেলে কেন পুরা মহল্লার লোক বউ এর সাথে শুইতে পারবে!! :-P

মজার কৌতুক - ৬৩

একদিন এক কৃষকের ছেলে গাড়ী ভর্তি ধানের বস্তা নিয়ে যাচ্ছে হাটে বিক্রি করার জন্য।
কিন্তু একটা বাড়ির সামনের রাস্তাটা ছিলো ভাঙ্গাচুরা।
গরুর গাড়ী উলটে গেলো।
বাড়ীর মালিক তখন খাচ্ছিলেন।
তিনি এসে দেখলেন একটা অল্পবয়সি ছেলে গাড়ির সঙ্গে উলটে পড়ে গেছে।
সে হাত ঝেড়ে উঠে পড়লো।
বাড়ির মালিক বললেন,
গরুগুলো বেঁধে তুমি আমার বাড়ি এসো। আমি খেতে বসেছি। তুমিও চারটা খেয়ে নাও। পরে তোমার বস্তাগুলো তোলার ব্যাবস্থা করা হবে।

ছেলেটি বলল, "না আব্বু রাগ করবে"
মালিক বললেন, আরে রাগ করবে না, আমি খেতে বসেছি, চাইলেই তো আর তোমাকে সাহায্য করতে পারবনা।আসো,আগে দুটা ভাত খেয়ে নাও।
….না, আব্বু রাগ করবে।
….আরে করবে না। এসো তো।
ভদ্রলোক প্রায় জোড় করে ছেলেটিকে বাড়ির ভিতর নিয়ে গেলেন।
ছেলেটি বারবার বলল, আব্বু রাগ করবে।
যাই হোক ছেলেটি হাতমুখ ধুয়ে খেতে বসলো।
খাওয়া দাওয়া ভালোই হল।
হাত মুছতে মুছতে ছেলেটি বলল, আব্বু রাগ করবে।
বাড়ির মালিক বললেন, না রাগ করবেনা। তা তোমার আব্বু কোথায়??
ছেলেটি বলল, আব্বু ঐ ধানের বস্তাগুলোর নিচে চাপা পড়ে আছে!! :-P

মজার কৌতুক - ৬০

একবার ১ চাইনিজ লোক একটা পতিতা ভাড়া করলো।
১ম বার সে পতিতার সাথে মিলিত হলো।
তারপর ডাইভ দিয়ে খাটের নীচে ঢুকেই বের হয়ে গেল।

এরপরে বড় করে ১ টা নিঃশ্বাস নিয়ে আবার পতিতার সাথে শুরু করে দিলো।
… পতিতা খানিকটা অবাক !
এত তাড়াতাড়ি স্ট্যামিনা ব্যাক !

এবার কাজ শেষ হবার পরে ঐ চাইনিজ লোক আবার ভাইভ দিয়ে খাটের নীচে চলে গেল, নীচ থেকে বের হয়ে ১ টা নিঃশ্বাস নিয়ে আবার নতুন উদ্যমে শুরু করে দিলো কাজ।

এভাবে ৩ বার ১ই ঘটনা ঘটার পরে পতিতা তো বিশাল অবাক। চাইনিজ লোকের এত স্ট্যামিনা!
কিন্তু মানুষ তো। এত অমানুষিক ক্ষমতা তো থাকার কথা না!
এবার কাজ শেষ হওয়ার পরে চাইনিজ লোকটা ডাইভ দি্যে খাটের নীচে ঢোকার আগেই পতিতা ডাইভ দিয়ে খাটের নীচে ঢুকে পড়ল।

[ ঢুকে যা দেখল তার জন্য আপনারাও একটু নিচে নামেন…. ]

⇓
⇓
⇓
⇓
⇓
⇓
⇓
⇓
⇓
⇓
ঢুকে দেখে খাটের নীচে ৭ টা চাইনিজ লোক শুয়ে আছে!! :-P

মজার কৌতুক - ৬১

এক মহিলা হাটুর ব্যথা নিয়ে এক ডাক্তারের কাছে গেলেন…
ডাক্তার: আপনার হাটুর অবস্হা তো খুবই খারাপ!
মহিলা রোগী: এ সবই ডগি স্টাইলের কারণে……!!!
ডাক্তার: আপনে অন্য আর কোন আসনে করতে পারেন না?
রোগী: পারি। কিন্তু আমার কুকুর টা পারে না!! :-P

মজার কৌতুক - ৫৯

ভারতীয় অভিনেত্রী মল্লিকা শেরওয়াতকে চড়া মূল্যে বাংলা ছবি ‘টিনের চালে ঢিল মারে কে” তে হিরোইন হিসেবে নিয়োগ করা হলো।

শুটিং এর প্রথম দিন পরিচালক তাকে শট বুঝিয়ে দিচ্ছেন-

- ক্লান্ত হয়ে নায়ক বাসায় ফিরলো, আপনি একগ্লাস দুধ হাতে এগিয়ে গিয়ে বলবেন- জান, সবটুকু দুধ জলদি খেয়ে নাও।

কথা শেষ না হতেই, মল্লিকা রেগে পরিচালকে বলল-

- যদি গ্লাসে করেই দুধ খাওয়াতে হয় তাহলে আমাকে নায়িকা না করে কাজলকে নিয়োগ করেন, যত্তসব!! :-P
 
Designed by Christian Myspace | Bloggerized by Blogger Template In conjunction with Blogger Services | Bollywood Wallpaper | Human Biochemistry